Source of geographical data for statistical analysis

What is data collection?

Data collection is the process of receiving and measuring information on different variables of interest, in an established systematic fashion that enables one to answer stated research questions, test hypotheses, and evaluate outcomes. In this article, we will go through some sources of geographical data for statistical analysis.


In statistics, data collection is a process that seeks to solve research problems by collecting data from all relevant sources.  It helps to evaluate the outcome of a problem. The method of collecting information helps a person to finish answering relevant questions. Most organizations use data collection methods to make assumptions about future probabilities and trends. Once the data is collected it is necessary to undergo the data organization process.

 Sources of geographical data collection for statistical analysis data

The main source of data collection depends on methods of receiving or collecting data. There are generally two types, namely-  primary sources of data, and secondary sources of data.

 1. Primary sources of data:

The data that an investigator collects from the respondent himself or from specific materials for the purpose of gaining precise knowledge is called primary information. For example, the population obtained from the census in the household survey, the amount of urban population. All the collected data are usually random in nature. Therefore, it is the raw data. After collecting this type of information a researcher has to be arranged in certain criteria.

Method of Primary Data collection: 

We generally collect the preliminary information or primary data in different ways.  such as: –

1.   Method of Observation: collecting information by continuously observing an event is called the observation method. This method is simple but time-consuming.

2.   Method of Interview: The method by which information is gathered from the respondents through conversations using interrogative question papers is called the interview method. This method is time-consuming and expensive.

3.    Method of Sampling: The sampling method is to collect data by selecting samples in a short time and at a low cost. In this case, of course, a skilled and trained person is needed to select the sample.

4.   Questionnaire sent by post or e-mail: Question papers prepared in this manner are sent which the respondent has to fill in the blank form or question table as per the question. The address or e-mail ID of the potential respondent is collected. There must be a request and thank-giving letter accompanied by a promise to keep the reply confidential.

5.   Method of Experimentation: In this process, we collect data from a large population and analyze it in laboratory samples to reach a conclusion. In this case, more information is collected in less time. 

6.   Local sources: The method by which information is collected through the investigating local representative or appointed employee is called local source. But in this case, it depends on the honesty and devotion of the representatives.

 Advantages and disadvantages of primary data:

Collecting primary data is costly and takes more time. This information is relatively unacceptable as it is not previously published. Reliability is low as there is no special opportunity to verify it. But the usefulness of using this data is relatively high. Because the researcher collects it as per the need of research.

2. Secondary Data:

Collecting any previously published or unpublished primary information for use in the work of any other organization is called secondary data or information.  For example, we collect information related to agricultural land from the Land and Land Reforms Department.

Method of Secondary Data collection:

Two main sources are mentionable for the collection of secondary information. Those are published reports and unpublished reports.

1.   Published Reports: Published information is obtained from various sources such as international, national, local, government, and private sources or from personal collection archives.

2.   Unpublished Reports: Information which is recorded in educational institutions, administrative departments, commercial establishments, etc., such as daily attendance, number of students, number of employees, purchase, and sale of commercial establishments, etc. are recorded in a book or computer.

Advantages and disadvantages of secondary data:

The advantage of secondary data over primary data collection is that it can be collected very quickly, at a very low cost. This data is relatively widely accepted as it has been previously published. But the problem is that this information is not able to provide all the information that the researcher needs. So it has limited acceptability.


Data is a very important element in statistics. Accuracy of data properly reveals the analysis and presentation of a subject. Therefore, one should be very careful about the mode of data collection. Cross-checking is very necessary to verify the authenticity of the data collected. We also need to be aware of this when collecting data as the data plays an important role in presenting the results of a subject. Therefore, it is important to be aware of the impact of preconceived notions or predictions on the outcome of the data collection. So these are the different types of sources of geographical data for statistical analysis


Here is the video on the (Source of geographical data for statistical analysis)

Join the Community

Join the free community of QGEO where we will be guiding you through the journey of learning geography. We will be discussing more Different types of data in statistics We have successfully organized more of the 15 online courses. There are more than 2000 students, who actively participate with us. We are providing geography students, scholars, and professionals a better experience in the field of geography.

Notes in Bengali

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য ভৌগোলিক তথ্যের উৎস (Source of geographical data for statistical analysis)

তথ্য সংগ্রহ কি? ( What is data collection? )

যে সুশৃংখল পদ্ধতিতে তথ্য আহরণ এবং পরিমাপ করার প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধানকারী কে  বা গবেষণাকারী কে তার গৃহীত গবেষণা প্রশ্নের উত্তর দিতে, অনুমান পরীক্ষা করতে এবং ফলাফল মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে  তাকে তথ্য  সংগ্রহ বলেI

 ধারণা :  

পরিসংখ্যান বিদ্যায়, তথ্য সংগ্রহ হল  একটি প্রক্রিয়া যা সমস্ত প্রাসঙ্গিক উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য গবেষণা সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে I একটি সমস্যার ফলাফল মূল্যায়ন করতে সাহায্য করে I তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি একজন ব্যক্তিকে প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর শেষ করতে সাহায্য করে I ভবিষ্যতের সম্ভাব্যতা এবং প্রবণতা সম্পর্কে অনুমান করার জন্য বেশিরভাগ সমস্ত তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি কে ব্যবহার করে I একবার সংগ্রহ করা হলে, তথ্য সংগঠন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়া প্রয়োজন I

তথ্য সংগ্রহের উৎস (Sources of geographical data collection for statistical analysis data)

তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতির প্রধান উৎস হল তথ্যI সাধারণতঃ তথ্যের দু’ধরনের উৎস রয়েছে, যেমন-

1. প্রাথমিক তথ্যের উৎস, এবং 2. গৌণ তথ্যের উৎস I

 প্রাথমিক তথ্য

কোন অনুসন্ধানকারী নিজে উত্তরদাতার থেকে বা নির্দিষ্ট উপকরণ থেকে সুনির্দিষ্ট  জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে যে তথ্য-পরিসংখ্যান সংগ্রহ করেন তাকে প্রাথমিক  তথ্য বলেI যেমন-  গৃহভিত্তিক সমীক্ষায় জনগণনা থেকে প্রাপ্ত জনসংখ্যা, শহুরে জনসংখ্যার পরিমাণI

এই সমস্ত তথ্য গুলো সাধারণত এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়I সে কারণে এদের কাঁচা তথ্য বা অশোধিত তথ্য বলা হয়I এই ধরনের তথ্য সংগ্রহের পর গবেষককে একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠিতে সাজাতে হয়।

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি: প্রাথমিক তথ্য বিভিন্ন পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়I যেমন:-

1.   পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি: ধারাবাহিকভাবে কোন ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে তথ্য সংগ্রহ করা কে পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি বলেI এই পদ্ধতি সহজ সরল হলেও সময় সাপেক্ষI

2.   সাক্ষাৎকার পদ্ধতি: যে পদ্ধতিতে অনুসন্ধানকারী প্রশ্নপত্র অবলম্বনে উত্তর দাতাদের কাছ থেকে কথোপকথনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয় তাকে সাক্ষাৎকার পদ্ধতি বলেI  তবে এই পদ্ধতি ও সময় সাপেক্ষ এবং ব্যয়বহুলI

3.    নমুনায়ন পদ্ধতি: অল্প সময়ে ও কম খরচে নমুনা নির্বাচন করে তথ্য সংগ্রহ করাকে নমুনায়ন পদ্ধতি বলে I এক্ষেত্রে অবশ্য নমুনা নির্বাচনের জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রয়োজন I

4.   ডাক যোগ বা ইমেইলে প্রেরিত প্রশ্নপত্র: এই পদ্ধতিতে তৈরি প্রশ্ন পত্র প্রেরণ করা হয় যা উত্তরদাতাকে প্রশ্ন অনুযায়ী ফাঁকা ফর্ম বা প্রশ্ন ছকের পূরণ করতে হয়I সম্ভাব্য উত্তরদাতাকে ঠিকানা বা  ই-মেল আইডি সংগ্রহ করে রাখা থাকেI সঙ্গে একটি অনুরোধ ও ধন্যবাদ সুচক পত্র থাকা প্রয়োজন যাতে তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বলা থাকে এবং উত্তরদাতার উত্তর গোপনীয় রাখার প্রতিশ্রুতি দিতে হয়I

5.   পরীক্ষণ পদ্ধতি : বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে নমুনায়ন পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করে ও পরীক্ষাগারের নমুনা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার পদ্ধতিকে পরীক্ষণ পদ্ধতি বলে I এক্ষেত্রে কম সময়ে অধিক তথ্য সংগ্রহ হয়I

6.   স্থানীয় উৎস: যে পদ্ধতিতে অনুসন্ধানকারী স্থানীয় প্রতিনিধি বা নিযুক্ত কর্মচারীর   মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ  করা হয় তাকে স্থানীয় উৎস বলেI তবে এক্ষেত্রে প্রতিনিধিদের সততা ও নিষ্ঠার উপর প্রমাণ্য হওয়া নির্ভর করেI

প্রাথমিক তথ্য সুবিধা ও অসুবিধা: 

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সময় ও অর্থের অধিক খরচ হয় I এই তথ্য   পূর্ব প্রকাশিত  নয় বলে  এর গ্রহণযোগ্যতা অপেক্ষাকৃত  কম I এগুলি যাচাইয়ের সুযোগ বিশেষ থাকে না বলে নির্ভরযোগ্যতা কমI  কিন্তু এই তথ্যের সুবিধা হলো এই তথ্যসংগ্রহের পদ্ধতিতে  গবেষক  নিজের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য  আহরণ করতে সক্ষম  হন I  তাই, এই তথ্যের ব্যবহার উপযোগিতা অপেক্ষাকৃত  বেশি I 

গৌণ তথ্যের উৎস :

পূর্বের সংগৃহীত প্রকাশিত বা অপ্রকাশিত কোন প্রাথমিক তথ্য কে দ্বিতীয় অন্য কোন সংস্থা  বিষয়ে কাজে ব্যবহার করার জন্য সংগ্রহ করলে তাকে গৌণ তথ্য  বলেI যেমন-  ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে সংগৃহীত কৃষি জমি সংক্রান্ত তথ্যI

গৌণ তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি :

গৌণ তথ্য দুটি উৎস থেকে সংগৃহীত হয়- প্রকাশিত তথ্য ও  অপ্রকাশিত তথ্য:

1.   প্রকাশিত তথ্য: প্রকাশিত তথ্য বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া যায়I যেমন-  আন্তর্জাতিক, জাতীয়, স্থানীয়, সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়I

2.   অপ্রকাশিত তথ্য: যে সকল তথ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসনিক দপ্তর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ইত্যাদিতে নথিভুক্ত করা হয়I যেমন- দৈনন্দিন হাজিরা, ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা,  কর্মীসংখ্যা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদি রেকর্ডভুক্ত থাকে খাতায় বা কম্পিউটারেI এগুলি থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হলে একে অপ্রকাশিত তথ্য সংগ্রহ বলেI

গৌণ তথ্যের সুবিধা ও অসুবিধা:

প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের চেয়ে গৌণ তথ্যের সুবিধা হল যে অতি দ্রুত, অত্যন্ত কম খরচে এই তথ্য সংগ্রহ করা যায়I এই তথ্য   পূর্ব প্রকাশিত  বলে  এর গ্রহণযোগ্যতা অপেক্ষাকৃত বেশি I কিন্তু অসুবিধা হলো এই তথ্য গবেষকের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য প্রদান করতে সক্ষম হয় না I এই তথ্যের ব্যবহার উপযোগিতা অপেক্ষাকৃত কম I এগুলি যাচাইয়ের সুযোগ বিশেষ থাকে না বলে নির্ভরযোগ্যতা প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের কে বা প্রকাশিত তথ্য সংগ্রহের চেয়ে কমI


পরিসংখ্যান বিদ্যায় তথ্য অতি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান I   তথ্যের যথার্থতা কোন বিষয়ের বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন  কে যথাযথভাবে প্রকাশ করে I তাই তথ্য সংগ্রহের বিষয় বিষয়ে অত্যন্ত যত্নবান হওয়া উচিত I সংগৃহীত তথ্য তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ক্রস চেকঃ চেকিং এর অত্যন্ত প্রয়োজন I সংগ্রহকারী কে এ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে I  কোন বিষয়ের ফলাফল উপস্থাপনে  তথ্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে I তাই ফলাফল সম্পর্কে পূর্ব ধারণা  বা পূর্বানুমানের  প্রভাব যেন তথ্য সংগ্রহের সময় না সে বিষয়েও সচেতন থাকা দরকার I 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *